Thursday, 29 January 2015

বাংলায় Photography Tutorial (পর্ব ২) ক্যামেরা পরিচিতি

ক্যামেরার মূল অংশঃ
১। লেন্স ( যার মধ্যে দিয়ে আলো প্রবেশ করবে।)



২। পর্দা/ফিল্ম, সেন্সরঃ আলো টা ঢোকার পর একটা পর্দায় পড়বে, যেটা এই আলোর তীব্রতা এবং রংএর পার্থক্যকে রেকর্ড করবে। অতীতে এই পর্দাকে বলতো ফিল্ম, আর বর্তমানে এটি সেন্সর।
৩। দেখার মাধ্যম (ViewFinder): ছবি তোলার আগে যেই মাধ্যম দিয়ে ছবিটি দেখি.

ক্যামেরার প্রকারভেদঃ
ক্যামেরা অনেকরকমের আছে। আমরা এত প্যাচের মধ্যে না গিয়ে যতটুকু জানা দরকার ঠিক ততটুকুই জানবো।
১। SLR (Single lens reflex) ক্যামেরাঃ অতীতে আমরা যেসব ফিল্মের ক্যামেরা ব্যবহার করতাম সেগুলো বেশীরভাগই ছিলো এস এল আর। আর বর্তমানে ডি এস এল আর (DSLR).

এস এল আর ক্যামেরাগুলোর মূল বৈশিষ্টগুলো:
ক) এই ক্যামেরায় প্রয়োজন মতো লেন্স খোলা এবং বদলানো যায়।
খ) এই ক্যামেরায় একটা আয়না থাকে, যেটা কোন দৃশ্যকে প্রতিফলিত করে একটা প্রিজমের মাধ্যমে ফটোগ্রাফার এর চোখে পাঠিয়ে দেয়। অর্থাত আপনি ছবি তোলার আগে দেখে নিতে পারছেন আপনার ফ্রেমের অবস্থা। দেখে নিতে পারছেন আপনার সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ খানার মধ্যে কেউ বিড়ি ফুকতে ফুকতে ঢুকে গেল কি না, কিংবা আপনার সুন্দরী মডেলের মাথাটাই কাটা পড়লো কি না উল্টো পাল্টা ফ্রেমিংয়ের কারনে। অনেকে হয়তো বলেন, আজকাল তো ক্যামেরার পেছনে একটা পর্দায় একেবারে ভিডিওর মতো প্রিভিউ দেখা যায়, তাহলে আর এই আয়না দিয়ে দেখার দরকার কি?
উত্তর টা খুব সহজ।
ধরুন আপনার বাড়ির আয়না টা সরিয়ে আমি একটা ভিডিও ক্যামেরা বসিয়ে দিলাম, যার মাধ্যমে আপনি নিজেকে দেখতে পারবেন একটা টিভিতে..মানে একটা ডিজিটাল আয়না আর কি। ভালো লাগবে আপনার? ব্যপারটা অনেকটা এইরকম ডিএসএলআর এর ক্ষেত্রে। সত্যিকারের আয়নায় যত নিখুত, আর ‘রিয়েল লাইফ’ প্রিভিউ দেখা যায়, সেটা এখন পর্যন্ত কোন ডিজিটাল স্ক্রিন রিপ্লেস করতে সক্ষম হয়নি। আপনি যদি একবার এসএল আর এর ভিউ ফাইন্ডারে ছবি দেখে অভ্যস্ত হয়ে যান, তাহলে আর ডিজিটাল প্রিভিউ আপনার ভালো লাগবে না।

DSLR Camera (Nikon D5200)
পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা:
এই ক্যামেরাগুলা অনেকটা ‘প্যাকেজ’ প্রোগ্রামের মতো। অর্থাৎ, এতে একটা লেন্স ফিক্সড করে দেয়া থাকে, যেটা খোলা সম্ভব নয়। এছাড়াও, এতে এস এল আর ক্যামেরার মতো কোন আয়না থাকেনা। আগেই বলেছি, ডিএসএলআর ক্যামেরার আয়নার কাজ হলো কোন দৃশ্যকে ক্যামেরায় ধরার আগে সেটাকে আপনার চোখে পৌছে দেয়া। এই কাজটি পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরায় করা হয় সরাসরি ডিজিটাল ‘লাইভ ভিউ দিয়ে। আসলে আজকাল সবরকম ক্যামেরাতেই এই ডিজিটাল ভিউ দেখার ব্যবস্থা আছে..কিছুদিন আগে এস এল আর এ ছিল না (আমারটায় নাই); এসএলআর এ এখন দুরকমই একসাথে থাকে…মিরর ভিউ এবং ডিজিটাল লাইভ ভিউ…যেটা খুশি ব্যবহার করতে পারেন।
পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরায় আয়না থাকেনা, তুলনামূলভাবে ছোট একটি সেন্সর ব্যবহৃত হয় এবং লেন্স এর সাইজ হয় ছোট। কাজেই ওভারঅল, এই ক্যামেরাগুলো আকারে এসএলআর এর চেয়ে অনেক ছোট, সহজে বহনযোগ্য। এই কারনে শখের ফটোগ্রাফী বা পারিবারিক ছবি তোলার জন্যে অনেকেই এই ক্যামেরা কিনে থাকেন। এখন আর বারো বছরে যুগ নাই, বছর বছর যুগ পাল্টায়। কাজেই আজকাল দেখবেন ফ্যামিলি ফটোগ্রাফ তোলার জন্যেও অনেকে ডিএসএলআর ই ব্যবহার করে থাকেন।
মিররলেস ইন্টারচেঞ্জেবল লেন্স ক্যামেরা:
এই ক্যামেরাগুলোকে বলা যায় কম্প্যাক্ট পয়েন্ট এন্ড শুট এবং ডিএসএলআর এর মাঝামাঝি একটা অপশন। এই ক্যামেরাগুলোর সেন্সর সাইজ হয় পয়েন্ট এন্ড শুটের চেয়ে বড়; কিছু আছে যেগুলো APS-C সেন্সর ব্যবহার করে, আর কিছু আছে যেগুলোতে তার চেয়ে ছোট সেন্সর। (ছবিতে Micro four-thirds সেন্সর সাইজটি দেখুন) | এই ক্যামেরাতে ডিএসএলআর এর মতো মিরর নেই, কাজেই অপটিক্যাল ভিউফাইন্ডারের সুবিধা পাবেন না, যদিও লাইভ প্রিভিউ থাকবে। আর ডিএসএলআর এর মতোই অনেক লেন্স এর অপশন আছে, যেটা খুশি (কিনে আর কি) ক্যামেরার বডিতে লাগাতে পারবেন। সহজে বহনযোগ্য, আর সেন্সর বড় বলে তুলনামূলক ভাবে ছবির কোয়ালিটি পয়েন্ট এন্ড শুট ক্যামেরা’র চেয়ে ভাল।

প্যানাসনিক লুমিক্স মিররলেস ক্যামেরা 

হাইব্রিড ক্যামেরা:
সময়ের সাথে সাথে ইঞ্জিনিয়াররা চেষ্টা করছেন কিভাবে নানা রকম অপশন একসাথে জুড়ে দিয়ে ফটোগ্রাফারদের মন জয় করা যায়। এখন অনেক ক্যামেরা আছে, যেগুলো ছোট হলেও, একটা অপট্যিকাল ভিউফাইন্ডার এবং লাইভ ভিউ, দুটোই থাকে। কিভাবে? খুব সহজ। ডিএসএলআর এর মিরর নেই এর ভিতরে, কিন্তু ক্যামেরার উপর দিকে একটা ‘ওপেনিং’ থাকে, যেটা দিয়ে আপনি সরাসরি ফ্রেম টাকে দেখতে পাবেন। এসএলআর এর মতো ‘থ্রো দ্য লেন্স’ হবে না যদিও…তারপরও অনেকে এই অপশন টা পছন্দ করেন। ফুজিফিল্ম X100 বা X100s এইধরনের হাইব্রিড ক্যামেরা।
ইব্রিড ক্যামেরা ফুজি এক্স১০০এস।

বাংলায় Photography Tutorial (পর্ব ১) ভূমিকা

সৃষ্টিশীলতা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ফটোগ্রাফী:

“দোস্ত, হলে দেখি গিটারবাদকের অভাব নাই। দুইমাস গিটার শিখে, তারপর ঘ্যাচিং ঘ্যাচিং কি জানি বাজায়, আর বেসুরা গলায় গান গায়।”
“দোস্ত, সবার হাতে হাতে দেখি ক্যামেরা। তোরা ক্যামেরা দিয়া হুদাই ভাব নিস। আমি একটা কিনি, আমিও ছবি তুলুম।”
“মনির, ক্যামেরার ক্রেজ গেছে গা। এখন সবাই বাইসাইকেল কিনতে চায়। এইটাই নতুন ফ্যাশন।”
জ্বি হ্যা। এই কথাগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে শোনা। আমার ধারনা আপনারাও শুনেছেন একই ধরনের মন্তব্য। কিন্তু দেখুন, এত গিটারবাদক আশে পাশে, তারপরও আইয়ুব বাচ্চুর মত গিটারকে কয়জন কাঁদাতে পারে? একবার এক কনসার্টে ওনার গিটারের কাজ হা করে দেখছিলাম, কেমনে করে আন্দাজ করারও চেষ্টা করিনি। স্টিভ ম্যককারির আফগান গার্ল তো শুধুই একটা ছবি, তারপরও সেই ছবি কি করে সারা দুনিয়ায় আলোড়ন তোলে?
জন ম্যককরির সেই আফগান গার্ল

অথবা ধরুন নিক আট এর তোলা ভিয়েতনাম যুদ্ধের সেই ছবি, যেখানে একটা বাচ্চা মেয়ে প্রাণের ভয়ে দৌড়ে পালাচ্ছিল নাপাম বোমার ভয়ে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে এই ছবি অনেক বড় ভূমিকা রেখেছিল।

নাপাম গার্ল, ফটোগ্রাফার: নিক আট, ১৯৭২.


পহেলা ফেব্রুয়ারী থেকে আমার ফেসবুক পেইজ এ ফটোগ্রাফি টিউটোরিয়াল  দেয়া শুরু করবো।
পেজ: Carzon Photography World

Carzon Photography World এর বাংলায় photography Tutorial পোস্ট



Monday, 16 July 2012

তার মনের মত হও

তুমি যাকে ভালোবাস তাকে বুঝাতে যেও না যে তুমি তাকে কিভাবে চাও। তুমি বুঝার চেস্টা করো সে তোমাকে কিভাবে চায়। এটা ছেলে মেয়ে উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


Saturday, 14 July 2012

স্বাধীনতা দেয়া কতটা যৌক্তিক

যাকে তুমি ভালবাসো তাকে স্বাধীনতা দাও। কিন্তু একেবারে তার হয়ে যেওনা। যেমন সে যা বলে তাই করতে হবে এমন হবা না। সে যদি অনৈতিক কিছু করতে বলে তাহলে সেটা না করে তাকে ভালো মন্দ বুঝাও। আজকাল অনেককেই দেখি যে সে তার gf এর জন্য সম্পূর্ন dedicated থাকে। তারা কিন্তু কখনোই সুখি হয় না। আর তাদের সম্পর্ক বেশী দিন টিকে না। তাই কাওকে ভালোবাসার আগে নিজেকে বদলে নাও।

ভালোবাসার প্রতিদান

আজ তোমাদের একটা গল্প বলব। এটা একটা সত্যি ঘটনা।
একটা মেয়ে একটা ছেলেকে খুব ভালবাসতো। কিন্তু ছেলেটা মেয়েকে শুধু বন্ধু ভাবতো। মেয়েটা যখন দেখলো যে ছেলেটা তাকে ভালোবাসেনা তখন মেয়েটা আত্নহত্যা করতে গেল। তাও একবার না ১০ বার মেয়েটা আত্নহত্যা করতে গেলো। এর মাঝে ৩ বার ডাক্তার রা তাকে কমা থেকে ফিরিয়ে এনেছে। যখন ছেলেটা দেখলো যে মেয়েটা তাকে এত ভালোবাসে,তখন সে মেয়েটাকে বিয়ে করে ফেলল। ছেলেটা ছিলো মেরিণ ইঞ্জিনিয়ার্। তারা খুব সুখের একটা সংসার পাতল। কিছুদিন পর ছেলেটা প্যারালাইসিস হয়ে যায়। তখন ছেলেটার জীবন তার খাট, ল্যাপটপ, আর হোমথিয়েটার এ আটকে যায়।
এর পর থেকে মেয়েটার মাঝে পরিবর্তন দেখা যায়। ছেলেটার এক বন্ধুর সাথে সম্পর্ক করে মেয়েটা। এমনকি তার বরের সামনে সে পরকীয়া করা শুরু করে। এসব দেখেও তার বর তাকে কিছু বলেনা। তার বর কে যখন প্রশ্ন করলাম যে আপনার সামনে এসব হয় আর আপনি কিছু বলেননা কেন? টখন সে আমাকে বলল "দেখ মেয়েটা আমাকে এত ভালোবাসে যে সে ১০বার আত্নহত্যা করতে গিয়েছে আমার জন্য। আর আমার এই বয়সেই আমি বিছানায় পরে গেলাম। তার তো কোন শখ আমি পূরণ করতে পারি নাই। এখন সে যেভাবে সুখে থাকতে পারে আমি তাকে সেভাবেই রাখবো। তাকে আমি অনেক ভালোবাসি  তার সুখের জন্য আমি সব পারি।"

আমি এই লোকটার কথা  শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। লোকটা এই মেয়েটার ভালোবাসার প্রতিদান কিভাবে দিলো। এই লোকের ভালোবাসার কাছে ১০বার কেন ১০০০০ বার আত্নহত্যা কিছুই না।

এখন আপনি বলুন কে বেশী ভালোবাসে?
জীবনে আপনি কার উপর ভরসা করবেন?

কারো ক্ষতি করোনা

যে তোমার ক্ষতি করছে তুমি কখনো তার খতি করতে যেওনা। এতে করে তোমাদের মাঝে সমস্যা শুধু বাড়তেই থাকবে। আর শত্রুতা কখনো শান্তি বয়ে আনেনা। যে তোমার ক্ষতি করছে তুমি তাকে বুঝাও যে তুমি সব বুঝতে পারছ। আর এটা বুঝার পরেও তুমি তার কোন ক্ষতি করনা। সে একসময় ঠিকই তার ভুল বুঝতে পারবে এবং অনুতপ্ত হবে। এখন তোমাদের কি মনে হয় আমি কি ঠিক বললাম নাকি ভুল?

ভালবাসার মানুষের সাথে ভাব নিয়োনা

কখনো নিজের পছন্দের মানুষের সাথে ভাব নিয়োনা। কারন সে যদি তোমাকে পছন্দ করে তাহলে এমনিতেই করবে। আর জদি ভাব নিয়ে তাকে তুমি তোমার প্রেমে ফেলো তাহলে তোমরা কখনো সুখি হতে পারবানা। যদি তুমি ভয় পাও যে তোমার অগোছালো life দেখে সে চলে যাবে তাহলে এটা তোমার ভূল ধারনা। কারন যে তোনাকে সত্যি ভালবাসবে সে তোমার অগোছালো জ্জীবন দেখে ভয় পেয়ে চলে যাবে না। সে তার সাধ্যমত চেস্টা করবে তোমাকে সুন্দর একটা জীবন দেয়ার জন্য।